রেস্তোরায় গিয়ে আমরা ইঁদুর আর কুকুরের মাংস খাচ্ছি না তো? সবার জানা দরকার
রেস্তোরায় গিয়ে আমরা ইঁদুর আর কুকুরের মাংস খাচ্ছি না তো? সবার জানা দরকার

রেস্তোরায় গিয়ে আমরা ইঁদুর আর কুকুরের মাংস খাচ্ছি না তো? সবার জানা দরকার

আমরা সবাই বিপদে আপদে বা শখ করে রেস্তারায় খেতে যাই।  আবার রেস্তোরায় খাওয়াটা অনেকের পছন্দেরও বটে।  কিন্তু নামি-দামি এসব রেস্তোরায় গিয়ে আপনি কী খাচ্ছেন একবার ভেবে দেখেছেন কি?

ভিন্ন নাম দিয়ে রেস্তোরায় ইঁদুরের মাংস বিক্রি করে যাচ্ছিলেন চীনের একটি কোম্পানি। যারা ইঁদুরের মাংস খাচ্ছিলেন তারা মোটেও তা টের পাননি।  মাটন বলে ইঁদুরের মাংস বিক্রি করায় একবার ৯০০ জনকে আটক করা হয়েছিল দেশটিতে। মাটন বলে ইঁদুরের মাংস বিক্রি করায় চীনে দুই লক্ষ টন মাংস বাজেয়াপ্ত করেছে দেশটির পুলিশ।

সম্প্রতি ভারতেও পাঁঠার মাংস বলে কুকুরের মাংস বিক্রি করছে রেস্তোরাঁগুলো। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমই এমনটা দাবি করেছে। কিছুদিন আগে ভারতের হায়দরাবাদে একটি হোটেলকে নোটিসও ধরানো হয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন জানায়, পাঁঠার মাংসের নাম করে তারা কুকুরের মাংস বিক্রি করছিল। এখন থেকে ভারতে শুধু মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ঠিক করে দেয়া দোকান থেকেই মাংস কিনতে বলা হয়েছে।

রেস্তোরায় গিয়ে আমরা ইঁদুর আর কুকুরের মাংস খাচ্ছি না তো? সবার জানা দরকার
রেস্তোরায় গিয়ে আমরা ইঁদুর আর কুকুরের মাংস খাচ্ছি না তো? সবার জানা দরকার

ভারতে রাস্তার ধারে ধাবায়, বাইরে দোকানে ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করে ইঁদুর, শেয়ালের মাংসকে মাটন বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। নাইট্রেট, জেলাটিন, কারমাইন মেশানো এই সব মাংস শরীরের পক্ষে সাংঘাতিক ক্ষতিকর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকরা আরও বলছেন, নকল কেমিক্যাল দেওয়া মাংস শরীরে প্রবেশ করলেই বাসা বাঁধবে হাজার রকমের অসুখ। কিডনির সমস্যা দেখা দেবে। রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করবে। হতে পারে হাঁপানি ও নানা ধরনের অ্যালার্জি।