অভিনেত্রী নুসরাত সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য!

তিনি টালিগঞ্জের ব্যস্ততম নায়িকা। ২০১০ সালের ‘ফেয়ার ওয়ান মিস ক্যালকাটা’ প্রতিযোগিতায় সেরা সুন্দরীর শিরোপা পেয়ে সংবাদমাধ্যমের নজরে আসেন। খেতাব জেতার পরেই চোখে পড়ে যান পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর। তার হাত ধরেই বাংলা ছবিতে পা রাখেন ২০১১ সালে। প্রথম নায়ক ছিলেন জিৎ।

২০১০ সালের ‘ফেয়ার ওয়ান মিস ক্যালকাটা’-র মঞ্চে যারা নুসরাতকে প্রথম দেখেছিলেন, তারা জানেন এই ৭ বছরে নুসরত কিন্তু অনেকটা বদলেছেন। সেই বদলটা বাহ্যিক যে শুধু নয়, সেটা সাম্প্রতিককালের নুসরাতকে দেখেই অনেকটা বোঝা যায়। মিস ক্যালকাটার সময় নুসরত ছিলেন অষ্টাদশী। আজ ৮ জানুয়ারি তিনি ২৬-এ পা দিলেন। এই সাত বছরে কলকাতা বাংলা চলচ্চিত্রে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আকর্ষণীয় ও লাস্যময়ী নুসরাতের জীবনধারার গতিপথ পাল্টেছেও অনেকখানি।
ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলা অবলম্বনে আসুন জেনে নিই নুসরাত সম্পর্কে নানা অজানা তথ্য-

প্রথমত, পাল্টেছে তার লুকস। যে ‘গার্ল নেক্সট ডোর’ ইমেজ নিয়ে তিনি ‘শত্রু’-তে ডেবিউ করেছিলেন তার থেকে আজকের, অর্থাৎ ‘হর হর ব্যোমকেশ’-এর নুসরাত অনেকটাই আলাদা। সম্ভবত ২০১৫-র এই ছবিটিই নুসরতের ক্যারিয়ারে একটা ল্যান্ডমার্ক। নুসরাতের অভিনয় পারদর্শীতার প্রমাণ দিয়েছেন এই ছবিতে। ‘শকুন্তলা’ চরিত্রে প্রচুর শেডস ছিল। চিত্রনাট্য নুসরতকে যতটা সুযোগ দিয়েছিল, তার যথেষ্ট সদ্ব্যবহার তিনি করেছিলেন।

হয়তো সেই কারণেই ‘জুলফিকর’-এ রানি তলাপাত্র চরিত্রের জন্য মনোনীত করা হয় তাকে। সমাজের ওই স্তরের মহিলাদের মধ্যে এক ধরনের সিউডো সফিস্টিকেশন কাজ করে যেটা অল্প টোকা মারলেই ভেঙে পড়ে। লুকস ও তার অভিনয়ে সেই বিষয়টা ধরা পড়েছিল। কিন্তু, শুধুমাত্র একটু অন্য রকম এই ছবিগুলি দিয়ে তো আর টলিউড চলবে না। তাই নায়িকা হিসেবে টিকে থাকতে গেলে তাকে ‘হরিপদ ব্যান্ডওয়ালা’-র মতো ছবি করতেই হবে।

শৈশবে নুসরাত সাত বছর পরে তাই অভিনয়ের দিক দিয়ে কিঞ্চিৎ পরিণত হলেও নুসরাতকে আরও অনেকটা বেশি পরিশ্রম করতে হবে যদি তিনি সত্যিই নায়িকা হওয়ার পাশাপাশি ভাল অভিনেত্রী হিসেবেও প্রতিষ্ঠা পেতে চান। কোন ছবি করবেন আর কোনটা করবেন না, সেটা নিয়েও আর একটু ভাবতে হবে নুসরাতকে। পঁচিশ থেকে তিরিশ— এই বয়সটা সব নায়িকাদের জন্যই খুব ক্রিটিক্যাল। এই সময়ের মধ্যেই নিজের পারফরম্যান্সকে অনেকটা উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মোক্ষম সুযোগ।

SHARE