বছরের সেরা যে গেম

বছরের সেরা যে গেম

প্রতিক্রিয়া বা পর্যালোচনার নিরিখে গত বছরের শীর্ষ গেমের তকমা পেয়েছে ‘আনচার্টেড ৪: আ থিফস এন্ড’ শীর্ষক গেমটি। সম্প্রতি পর্যালোচনাভিত্তিক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট মেটাক্রিটিক ‘বেস্ট-রিভিউড গেমস অব ২০১৬’-এর তকমা দিয়েছে সনি কম্পিউটার এন্টারটেইনমেন্টর তৈরি গেমকে। গেমটির প্রকাশক নটি ডগ। গত বছর যেসব ভিডিও গেম মুক্তি পেয়েছে, এর মধ্যে অন্যতম অ্যাকশন-রোমাঞ্চধর্মী গেম এটি।

গেমটি ‘আনচার্টেড ৩’-এর সিক্যুয়েল। গেমটির প্রধান চরিত্র নাথান ড্রেক। গুপ্তধনের সন্ধানে রোমাঞ্চকর অভিযাত্রা নিয়ে তৈরি গেমটি। এটি শুধু প্লেস্টেশন প্ল্যাটফর্মের জন্য তৈরি। সিঙ্গেলপ্লেয়ার ও মাল্টিপ্লেয়ার মোডে গেমটি খেলা যায়।

গেমটির কাহিনি গড়ে উঠেছে ‘আনচার্টেড ৩: ড্রেকস ডিসেপশন’ গেমের কয়েক বছর পরের কাহিনি নিয়ে। এতে দেখা যায়, ড্রেক গুপ্তধন অনুসন্ধান থেকে অবসরে গিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে সাধারণ জীবনযাপন শুরু করেছেন। চাকরি নিয়েছেন। কিন্তু বন্ধু আর ভাইয়ের সঙ্গে মিলে পর আবার নেমে পড়েন অভিযানে। তাঁর সহযোগী হন বন্ধু সালি বা সুলিভান। অ্যাকশন-রোমাঞ্চকর অভিযানে বহু যুগ আগে জলদস্যু হেনরি অ্যাভারির গুপ্তধন সন্ধানে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ড্রেক। শত্রু হিসেবে সামনে দাঁড়িয়ে যায় সম্পদশালী ও বিপজ্জনক রেফ অ্যাডলার, তার বন্ধু শোরলাইন নামের মার্সেনারি গ্রুপ পরিচালনাকারী নাদিন রস ও মাদকসম্রাট হেক্টর অ্যালকাজার।

২০১৩ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে গেমটি সম্পর্কে প্রথম টিজার প্রকাশ করা হয়। ২০১৪ সালের জুন মাসে এক সংবাদ সম্মেলনে ছোট আরেকটি টিজারের মাধ্যমে গেমটির ঘোষণা দেওয়া হয়। গত বছরের মার্চে গেমটির উন্নয়ন শেষ হয়। ১০ মে গেমটি বিশ্বব্যাপী উন্মুক্ত করা হয়। মুক্তির পরপরই গেমটি লুফে নেন গেমাররা। সমালোচকেদের কাছ থেকেও প্রশংসা পায় গেমটি। গেম-বিষয়ক বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এটি বর্ষসেরা গেমের খেতাবও পেয়েছে। গেমটি উন্মুক্ত হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে ২৭ লাখ কপি বিক্রি হয়।

আরও পড়ুন:  সাইলেন্ট মোডে থাকা মোবাইল হারিয়ে গেলে খুঁজে পাবেন এই সহজ কৌশলে!

‘আনচার্টেড ৪’-এর পরের অবস্থানে আছে প্লেডেড প্রকাশিত ‘ইনসাইড’ নামের আরেকটি রোমাঞ্চকর ভিডিও গেম। এক্সবক্স ওয়ান, প্লেস্টেশন ৪ ও উইন্ডোজ প্ল্যাটফর্মে গেমটি খেলা যায়। এর পরের অবস্থানে আছে ‘আউট অব দ্য পার্ক বেসবল ১৭’, ‘দ্য উইচার ৩: ওয়াইল্ড হান্ট-ব্লাড অ্যান্ড ওয়াইন’, ‘ওভারওয়াচ’, ‘ফরজা হরাইজন থ্রি’ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: গ্যাজেটস নাউ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *